Breaking News
Home / সারাদেশ / ময়মনসিংহ / ভালুকা মডেল থানা পুলিশের গণজমায়েত বিরোধী তৎপরতা

ভালুকা মডেল থানা পুলিশের গণজমায়েত বিরোধী তৎপরতা

অনলাইন ডেস্ক_- সোমবার দুপুরে ভালুকা পাঁচরাস্তা মোড় এলাকায় তীব্র দাবদাহ ও কড়া রোদের মাঝে দাঁড়িয়ে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উদ্যেশ্যে হ্যান্ড মাইকে ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন বলছিলেন- আপনারা চোর-পুলিশ খেলা করলে প্রশাসন কঠোর হতে বাধ্য হবে। সবাই নিরাপদ দুরত্ব রেখে বাড়ী যান এবং ব্যাবসায়ীরা দোকান-পাট বন্ধ করেন।
দোকানপাট বন্ধ করার সময় ক্রেতা-বিক্রেতাদের রহস্যময় আচরনে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন।
করোনা মোকাবেলায় সরকারী নির্দেশনা মোতাবেক সামাজিক দুরত্ব সৃষ্টি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্ন সামগ্রীর ব্যাবহার নিশ্চিত করার শর্তে ঈদ মার্কেট খোলার অনুমতি নিলেও অধিকাংশ দোকান সে গুলোর আশপাশেও না থাকা এবং দোকান গুলোতে নারী-পুরুষের উপচে পড়া ভীড়ে করোনা’র সংক্রমন ঝুঁকি বৃদ্ধির কারনে মার্কেট ও শপিং বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা মোতাবেক উপজেলা প্রশাসন গত রাতে সকল মার্কেট ও শপিং বন্ধের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নোটিশ প্রদান করলেও ক্রেতা-বিক্রেতা কেউ তা আমলে নেয়নি।

সকাল থেকেই মার্কেট গুলো লোকারন্য হতে থাকে। দুপুরে মার্কেট গুলোতে নারী-পুরুষের উপচে পড়া ভীড় শুরু হলে ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্সসহ বাজার রোডের মার্কেট,সিডস্টোর বাজার, মাস্টার বাড়ির মার্কেটগুলোতে গিয়ে দোকান বন্ধ করার অনুরোধ করেন। তিনি ক্রেতা সাধারনকে হাত মাইক দিয়ে নিরাপদে নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করতে থাকেন পাশাপাশি ব্যাবসায়ীদের অনুরোধ জানান দোকানপাট বন্ধ করার। এ সময় পুলিশ এক দোকান বন্ধ করে অন্য দোকানে যেতেই পিছন দিয়ে আগের দোকান খোলে দেয়। রাস্তায় রোদে পুড়ে ওসি নিষেধ করছে ক্রেতা-বিক্রেতারা তা দেখে দেখে উপভোগ করছে পরিবেশটা ছিল এমন।

কিছুক্ষন এভাবেই চলার পর ক্ষুব্ধ ও বিরক্ত হয়ে ওসি মাইন উদ্দিন ক্রেতা-বিক্রেতাদের বলেন আপনারা চোর-পুলিশ খেলা করলে পরিস্থিতি খারাপ হবে। আমরাও কঠোর অবস্থান নিতে বাধ্য হব। হুসিয়ারী শুনে দোকান বন্ধ ও ক্রেতা শুন্য হতে শুরু করে। পরে তিনি রাস্তার অটোবাইক,রিক্সা,সিএনজি,থ্রি-হুইলারসহ (জরুরী পন্যবাহী যানবাহন ছাড়া) সব ধরনের যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারির কথা চালকদের জানিয়ে দেন এবং রাস্তা ছেড়ে দেয়ার আহ্বান জানান। করোনা’র পরিস্থিতি ক্রমশই জটিল থেকে জটিলতর হলেও মার্কেট গুলোতে আসা নারী-পুরুষদের আচরন দেখে মনেই হয়নি দেশে কোন সংকট চলছে।

করোনা মহামারী যখন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে এ মুহুর্তে মার্কেট গুলোতে মহিলাদের উপচে পড়া ভীড় দেখে হতবাক হওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই। জীবনের নিরাপত্তার গ্যারান্টি না থাকলেও কোলে করে শিশুকে নিয়ে মার্কেটে এসেছে পরিবারের অন্য দলবলসহ। পরিস্থিতি দেখে কাউকে কাউকে মন্তব্য করতে শোনা যায় মানুষের হাতে নাকি টাকা নাই,কর্ম নাই তাহলে এসব লোকজন কোথা থেকে আসে আর সরকারের ত্রান সুবিধাই বা কারা নিচ্ছে। সবাই তো হুমড়ি খেয়ে মার্কেটে পড়েছে।

Check Also

ভালুকায় এক পোশাক শ্রমিকের শ্লীলতাহানীর চেষ্টার অভিযাগে আটক ১

ভালুকায় এক পোশাক শ্রমিকের শ্লীলতাহানীর চেষ্টার অভিযাগে আটক ১ ভালুকা ( ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ভালুকায় এক …

Leave a Reply