Breaking News

ফজলে এলাহী‘র দু’টি কবিতা

বেদনার নৈঃশব্দ্যে সুখ সীমান্ত

শরতের ধূূসর স্মৃতিময় আকাশে জীবনের বাঁকে বাঁকে কত স্মৃতি ভাসে, আপনজনের হঠাৎ হারিয়ে যাওয়া ভাঙচুর জীবনে চোখ ভিজে যায় জলে। অগোছালো জীবনে না পাওয়া প্রাপ্তি বটবৃক্ষের প্রাপ্তিতে চাওয়া-পাওয়ার অপেক্ষা, একজন বিবাগী তুলে নেয় কবিতার খাতা পৃথিবীর দুঃসময়ে প্রার্থনায় এখন ভরসা। বটবৃক্ষের সুস্থতায় বাঁচার আকুতি নিঃসঙ্গতায় অশ্রু সজল নয়নে, প্রজন্মের সান্ত্বনা ও বুকভরা ভালোবাসায় জীবনের সকল সংকটে শান্তি ফিরে আসে। পরিস্থিতির জোয়ার-ভাঁটার স্বীকাওে কুয়াশা মেঘে জীবন থমকে দাঁড়ায়, ষড়যন্ত্রের চক্রান্তে নিস্পাপ ভালোবাসা বটবৃক্ষের ছায়াহীন জীবন বড় অসহায়। জীবনের ভরা নদীতে এখনো উঠে নিষিদ্ধ ঢেউ নিষিদ্ধ বন্দরে নিষিদ্ধ ছোঁয়া, কেটে যাক মোহ মায়া দৃষ্টির ঘোলা জলে এড়িয়ে, দুরত্বেই নিরাপদ গন্তব্য, হে অন্তর্যামী দৃষ্টির স্বচ্ছতায় বেঁচে থাক বটবৃক্ষের আশীর্বাদে সবার সংসারে সুখ সীমান্ত।
ভালোবাসার বৃত্তে
জীবনের প্রত্যাশিত প্রাপ্তির চাওয়াগুলো অপ্রাপ্তির স্রোতে ভেসে ভেসে কষ্ট মিশে আপনজনের ভালোবাসার বৃত্তে সুপ্ত বিনিময়ের অপ্রাপ্তি যেন সময়ের প্রাপ্তি। অভিমানের মেঘে ঢাকা প্রিয় নারী ভালোলাগা চাঁদ ঢেকে দিলে গন্তব্যের বাড়ি, দিগন্তের বুক ভরা যত্নের ফুলের বাগানে সংসার সীমান্তে পরিচর্যা করে অন্য মালী। ক্লান্তির সীমা রেখায় সুখে থাক সবার আড়ি পথের হেঁটে চলা প্রান্তরে যদি দেখা হয়ে যায়, তাতেই সান্ত্বনা, প্রাপ্তীর যত বিড়ম্বনা তোমার ভালোবাসার চাঁদমুখ কতদিন দেখিনা। ভালোবাসাহীন পৃথিবী মানুষ চায় কি করে আপন রক্তে গড়া ভূবণ নিঃস্ব হয়ে যায় ভালোবাসা বিহনে ভয়ংকর একাকীত্বে আপনজন হারিয়ে যায় বেদনার না ফেরা দিগন্তে।

Check Also

এরশাদ আহমেদ’র ছড়া- সূর্যি উঠা