Breaking News
Home / সাহিত্য / আমারবাংলা ভার্চুয়াল সংখ্যা -২০২০ / তোফায়েল তফাজ্জল‘র দুটি কবিতা

তোফায়েল তফাজ্জল‘র দুটি কবিতা

সেই কথাগুলো

সেই কথাগুলো তারা রূপে দেদীপ্যমানের প্রতিশ্রুতি থাকলেও নিষ্প্রভ, নতুন অখাদ্য যোগের কারণে মেঘে প্যাচিয়ে যাওয়ার চক্রবালে এরা গায়ে কাঁটা দিয়ে ওঠা স্মৃতিগুলো স্থূলমনা থেকে বিকৃত ভড়ং নিয়ে নিচে নেমে নীরবে দাঁড়িয়ে গেছে খাদের কিনারে, হাঁ-মুখীর পেটে পড়ে হারাচ্ছে অস্তিত্ব। যা দেখে মন্দের হোতা বা দোসর কান খাড়া করে শুকনো নদীতে জোয়ার দেখে আনন্দের। ভাবে, মাস কয়েকের ঘুমানোর বড়ি হাতে গুঁজে দিয়ে গেলো কোনো সমমনা রাত শুরুর আগেই। এতেই যখন এরা এই, ঝোপের আড়ালে যা যা করবে তা দেখানো মানা। এরা কুকর্মকে পাইনের সাহায্যে অসচেতনকে কারিশমা দেখায়, ফেকো মার্কা স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে উষ্ণ করছে শ্রোতা-কান, কান টেনে মাথা এনে ভারী করছে পাল্লা। আর যা দেখে দহনে মরে যাদের নির্মেদ টান মৃত্তিকায়। তারা জানতেও আগ্রহী, প্রিয়ার দাঁতের উজ্জ্বল অক্ষরে লেখা যুদ্ধের ও আগে-পরের বৃত্তান্ত – যেখানে থাকবে না শব্দের পরগাছা, না আহূত হবে দুরমুশ বা লেভেলার; বরং জিজ্ঞাসু পাবে নিখাঁত ধাতুতে সাজানো এক অবয়ব, অনাগতরাও সামনে আগানোর অনির্বাণ আলো। তোমার আঙুল কি ব্যস্ত কী-বোর্ডে সেই কারণেই?

হীনমন্যতা

নীরব ঘাতক ‘হীনমন্যতা’র শেষ ধাপে নামতে লোকগুলো ধরা হচ্ছে, মারা হচ্ছে পোষা ঘুঘু ফাঁদে। মাকড়সার জালে আটকা মশামাছিরূপে ভাবছে এদের বোঝকে- চিনি ফেলে, টোপ দিয়ে টেনে নিচ্ছে বাহুর ভেতর, দেখাচ্ছে দশটা লাভ, ইন্দ্রিয় জাগিয়ে তুলে এমন শতোটা আকর্ষণ সামনে খাড়া রাখছে খোলামেলা। ফলে, হিতাহিত জ্ঞান গুঁড়ো করে ঘুণে, ঘূর্ণি তোলা আবেগে ঝাঁপিয়ে পড়ে শিকারে, সম্ভোগে; অথচ জাতির পায়ে বা কপালে মারছে শাণিত কুড়োল- সেই উপলব্ধি পড়ে আছে মৃত নদীর কিনারে। কখন লোকের মন হবে বৃষ্টির পরের ঘাস?

Check Also

এরশাদ আহমেদ’র ছড়া- সূর্যি উঠা