Breaking News
Home / পাঁচফোড়ন / পীরগঞ্জে ছাতুয়া মাদ্রাসার এক প্রার্থী কর্তৃক সুপারকে হয়রানী

পীরগঞ্জে ছাতুয়া মাদ্রাসার এক প্রার্থী কর্তৃক সুপারকে হয়রানী

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি: রংপুরের পীরগঞ্জে ছাতুয়া দ্বি মূখী দাখিল মাদ্রাসার সুপারকে ফাঁসাতে চাকুরীর এক প্রার্থী চাকুরী না হইতে সুপারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। জানা গেছে, সরকারী বিধি মোতাবেক একজন আয়া ও নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। উক্ত পদে ৩৭ জন প্রার্থী আবেদন করেন। আবেদনকারীর মধ্যে ছাতুয়া গ্রামের আফজাল হোসেনর পুত্র হারুন-অর-রশিদ ও তার স্ত্রী সুলতানা বেগম আয়া পদে আবেদন করেন। হারুন-অর-রশিদ এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় এ নিয়োগ কে কেন্দ্র করে মাদ্রাসার সুপার এ.কে.এম শহিদুল ইসলামকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন। এমন কি তাদের দুইজনকে চাকুরী দেয়া না হলে সুপারকে জানে মেরে ফেলা হবে মর্মে মাদ্রাসার সুপার থানাসহ বিভিন্ন মহলে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। গত ২৪ ফেব্রুয়ারী ওই মাদ্রাসার জমি নিজের বলে দাবী করে বসেন প্রার্থী হারুন-অর-রশিদ। কাউকে তোয়াক্কা না করে মাদ্রাসার মাঠে গাছ রোপন এবং মাদ্রাসার মুল ফটকের সামনে বালু এবং বাঁশ দ্বারা চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দেন তিনি। অপরদিকে মাদ্রাসার সুপার নিরুপায় হয়ে গত ২৫ ফেব্রুয়ারী পীরগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সুপারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তকারী কর্মকর্তা বিষয়টি সরে-জমিনে তদন্ত করে মাদ্রাসার বিভিন্ন স্থানে রাখা গাছ ও বালু সরে ফেলে দেন। উক্ত ঘটনার কিছুদিন পর মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী তোফাজ্জল হোসেনকে কৌশলে পক্ষে আনার চেষ্টা করেন হারুন। তাকে বলে- “আমি তোমার প্রতিবেশী। তুমিও তো ২ শতক জমি মাদ্রাসার নামে দান করেছো। কিন্তু সুপার তো আমাদেরকে চাকুরী দিচ্ছে না। তাই সুপারকে চাপ দিয়ে তোমার জমি তুমি ফেরত নেও।” ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী জমি ফেরত নিতে অস্বীকার করলে প্রার্থী হারুন ওই ব্যক্তিকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে গত ১০ মার্চ ওই কর্মচারীকে এলোপাথারী ভাবে নির্যাতন করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে দেয়। পরের দিন ১১ মার্চ উক্ত কর্মচারী বাদী হয়ে হারুনের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মাদ্রাসার নিয়োগ বন্ধ করতে সুপারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন হারুন। এ ব্যাপারে মাদ্রাসার সুপার এ.এম. শহিদুল ইসলাম জানান- শুধু চাকুরীর নয়, হারুন ওই এলাকার স্থানীয় হওয়ায়, সে বিভিন্ন সময় রাস্তা ঘাটে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ এবং আমাকে অপমানিত করে। এমনকি, চাকুরী না দিলে জানে মেরে ফেলার হুমকি পর্যন্ত দেয়। অভিযুক্ত হারুন-অর-রশিদ জানান- আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা। সুপার আমার কাছে চাকুরী দেওয়ার নামে টাকা নিয়েছে। টাকা চাইতে গেলে সে আমার নামে মিথ্যা অপবাদ রটাচ্ছেন।

Check Also

ভালুকায় রকেটের একাউন্ট হ্যাক করে নারী গার্মেন্টস শ্রমিকের টাকা আত্মসাৎ

ভালুকায় রকেটের একাউন্ট হ্যাক করে নারী গার্মেন্টস শ্রমিকের টাকা আত্মসাৎ ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ ভালুকায় ডাচ …