Breaking News
Home / সারাবাংলা / ভালুকায় বাড়িতে থেকেই করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন ৮৮ শতাংশ

ভালুকায় বাড়িতে থেকেই করোনা রোগী সুস্থ হয়েছেন ৮৮ শতাংশ

 

ভালুুুকা(ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দিয়েছেন মোসফেক-ওস-সালেহীন। গত ১৫ মে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবের নমুনা পরীক্ষায় কোভিড-১৯ পজেটিভ হন তিনি। হাসপাতালের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোভিড-১৯ এ সংক্রমিত হন এই চিকিৎসা কর্মকর্তা। সরকারি চিকিৎসক হিসেবে এটাই তাঁর প্রথম কর্মস্থল।
শনাক্তের শুরুর দিকে কিছুটা ঘাবড়ে গেলেও মনে সাহস রেখে চালিয়ে গেছেন নিজের চিকিৎসা। বাসায় আইসোলেশনে থেকে সুস্থ হয়ে ২১ দিন পর আবারও ফিরেছেন কর্মস্থলে, দিচ্ছেন রোগীদের সেবা।
হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম বা পিপিই পরে হাসপাতালের জরুরী বিভাগে রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন মোসফেক-ওস-সালেহীন । করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলা, ঘরের বাহিরে বেড় হলে সব সময় মুখে মাস্ক পড়ে থাকাসহ রোগীদের নানা ধরনের পরামর্শ দিচ্ছিলেন তিনি।
কোভিট-১৯ এ সংক্রমিত হওয়ার পর নিজের সুস্থতার বিষয়ে গাজীপুরের বাসিন্দা এই চিকিৎসক  বলেন, গত ১৩ মে তাঁর চোখের চার পাশে ব্যাথা শুরু হয়। ওই দিনই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সোহেলী শারমিনের পরামর্শে নমুনা দেন কোভিট-১৯ পরীক্ষার জন্য। দুই দিন পর নমুনা পরীক্ষার ফলাফলে কোভিড-১৯ পজেটিভ আসে। এর পর বাড়িতেই আইসোলেশনে থেকে জেষ্ঠ্য চিকিৎসকদের সঙ্গে মোঠো ফোনে পরামর্শ নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
শুধু মোসফেক নয় একই হাসপাতালের আরও দুুই চিকিৎসকসহ উপজেলায় নানা পেশার মোট ২৩৬ জন লোক করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন একশ ৪২জন। সুস্থতার হাড় ৬০ শতাংশের কিছু বেশি। উপজেলায় ১৪২ জন সুস্থ রোগীর মধ্যে বাড়িতে থেকেই সুস্থ হয়েছেন একশ ২৫ জন। অর্থাৎ বাড়িতে থেকেই সুস্থতার হাড় ৮৮ শতাংশ। বাকী ১২ শতাংশ রোগী হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে ৯ শতাংশ পুলিশ এবং তিন শতাংশ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শিল্প পুলিশ-৫(ভালুকা) এর মোট ১৭ জন সদস্য কোভিড-১৯ এ সংক্রমিত হয়েছেন। তারা সবাই পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আর ভালুকা মডেল থানা পুলিশের চার জন করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছিলেন। এদের মধ্যে তিন জন হাসপাতালে এবং একজন বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন।
করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগীদের সুস্থতার বিষয়ে শিল্প পুলিশ-৫ এর পুলিশ সুপার সাহেব আলী পাঠান বলেন, তাদের ১৭ জন সদস্য সংক্রমিত হওয়ার পর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে ১০ জন সুস্থ হয়েছেন। বাকী সাত জনও রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। তাদের অবস্থাও উন্নতির দিকে।
গত ১৯ এপ্রিল উপজেলায় প্রথম কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়। মৃত্যু হয়েছে তিন জনের।

Check Also

নজিপুর পৌরসভা নির্বাচনে বেসরকারী ভাবে আঃলীগ প্রার্থী বাবু বিজয়ী

নজিপুর পৌরসভা নির্বাচনে বেসরকারী ভাবে আঃলীগ প্রার্থী বাবু বিজয়ী   ব্রেলভীর চৌধুরী, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ …