Home / খেলাধুলা / শুরু হলো ক্রিকেটের আরেকটি বিশ্ব লড়াই

শুরু হলো ক্রিকেটের আরেকটি বিশ্ব লড়াই

বিশ্বকাপ শেষ হলো মাত্র দু’সপ্তাহ পার হয়েছে। ক্রিকেট খেলুড়ে সেরা ১০টি দলকে নিয়ে ৪৫ দিনের আয়োজন ছিল ওয়ানডে বিশ্বকাপ। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন শহর ঘুরে ১৪ জুলাই লন্ডনের বিখ্যাত লর্ডস স্টেডিয়ামে পর্দা নেমেছে বিশ্বকাপের। নানা নাটকীয়তা শেষে প্রথমবারেরমত বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট পরে নিলো ইংল্যান্ড।

সেই ইংল্যান্ডেই দুই সপ্তাহ পর আবার শুরু হলো আরেকটি বিশ্ব লড়াই। এবারের এই বিশ্ব লড়াইটির ধারণা এবং ফরম্যাট সম্পূর্ণ আলাদা। যাকে বলে খুবই জটিল। ক্রিকেটে এমনিতেই সব সময় হিসাব-নিকাশ জটিল থাকে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে তো এই হিসাবটা আরও জটিল হয়ে উঠবে। যদিও সব কিছুই নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে আইসির পক্ষ থেকে।

আইসিসি ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ কি?

প্রতি বছর এমনিতেই ১ এপ্রিল আইসিসি সারা বছরের পারফরম্যান্স এবং আগের বছরের পারফরম্যান্স হিসেব করে টেস্ট র্যাংকিংয়ের শীর্ষে থাকা দলকে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে ধরে নেয়। কিন্তু তারা এই সিস্টেমে না গিয়ে প্রতিযোগিতার মাধ্যমেই প্রতি দুই বছর পর পর টেস্টে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি।

এ সিদ্ধান্তের আলোকেই শুরু হয়েছে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ (ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ বা ডব্লিউটিসি)। এই চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ পর্বের মৌসুমটা মূলতঃ শুরু হয়েছে ১৬ জুলাই থেকে। তবে ডব্লিউটিসি’র প্রথম টেস্ট মাঠে গড়ালো অ্যাশেজের মধ্য দিয়ে আজ (১ আগস্ট)থেকে। গ্রুপ পর্ব শেষ হবে ২০২১ সালের ৩১ মার্চ। এরপর সেরা দুই দলকে নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।

কারা অংশ নেবে এই বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে?

বর্তমানে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশ হচ্ছে ১২টি। তবে এদের মধ্যে ডব্লিউটিসি’তে অংশ নেবে ৯টি দেশ। এরা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, শ্রীলঙ্কা এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই ৯ দেশের মধ্যে আগামী দুই বছরে অনুষ্ঠিত হবে মোট ২৭টি সিরিজ।

কেন এই আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপকে আনা হলো?

অনেক আগে থেকেই আইসিসি টেস্ট ক্রিকেটে ভিন্ন কোনো মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করে যাচ্ছিল। দ্বি-পাক্ষিক সিরিজগুলোকে ব্যবহার করেই টেস্টে ভিন্ন মাত্রা যোগ করার গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছিল তারা। এমনিতেই তো প্রতি বছর ১ এপ্রিল র্যাংকিং পর্যালোচনা হয় এবং একটি দলকে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের মুকুট দেয়া হয়।

গবেষণা করতে করতেই চলে আসে ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ধারণা। ডব্লিউটিসি’র মাধ্যমে টেস্টে প্রতি দুই বছর পর পর একটি দল হবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। ক্রিকেটের অন্য দুই ফরম্যাচের মতই এটা হবে টেস্টের একটা বিশ্বকাপ। তবে, সেটা আয়োজনের জটিলতার কারণেই ২ বছর মেয়াদে চ্যাম্পিয়নশিপের ধারণা তৈরি করা হয়েছে।

Check Also

সেই রোহিত ফিরলেন সেঞ্চুরি করেই

১০ রানে জীবন পেলেন। রোহিত শর্মার ক্যারিয়ারে ব্যাট করতে নামার পর জীবন পেলে সেটাকে সেঞ্চুরিতে …

Leave a Reply